সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন




যানবাহনবিহীন বিপুল সংখ্যক যাত্রী নিয়ে ফেরী পারাপার

অপু ইসলাম
  • Update Time : শনিবার, ৮ মে, ২০২১
  • ১৩৪ Time View

রোজার ঈদ উপলক্ষে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌ রুট হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো যাত্রীর ভিড় বেড়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে, যাত্রীর চাপে ফেরিতে গাড়ি উঠতে হিমশিম খাচ্ছে। রো রো ফেরি এনায়েতপুরীর একটি ট্রিপে তিন হাজারের বেশি যাত্রী পারাপার করেছে। যাত্রীর চাপে ওই ট্রিপে শেষ পর্যন্ত গাড়ি নেওয়া যায়নি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ভিড় আরো বেড়েছে। দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা মোটরসাইকেল, থ্রি হুইলার, ইজি বাইকে চড়ে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে ছুটছে। এদিকে নদীতে বাংলাবাজার ঘাটের ট্রলার ও স্পিডবোট বন্ধ রাখতে ইঞ্জিনের পাখা খুলে নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আটক করা হয়েছে কয়েকটি মাইক্রোবাস।

গতকাল শুক্রবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই রুট হয়ে দক্ষিণাঞ্চলমুখো যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকে। স্পিডবোট, লঞ্চ, ট্রলার বন্ধ থাকায় ফেরিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ঘাটে আসা প্রতিটি ফেরি ছিল যাত্রী ও যানবাহনে পূর্ণ। রো রো ফেরি এনায়েতপুরীর একটি ট্রিপে তিন হাজারের বেশি যাত্রী পারাপার করেছে। যাত্রীর চাপে ওই ট্রিপে কোনো গাড়ি নেওয়া যায়নি। গাদাগাদি করে পার হতে দেখা গেছে যাত্রীদের। স্বাস্থ্যবিধি পালনের কোনো বালাই ছিল না। ঢাকা থেকে ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন যানবাহনে বাড়তি ভাড়া দিয়ে ফেরিতে পৌঁছে গাদাগাদি করে পদ্মা পাড়ি দিয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা। এতে করে যাত্রীদের ভোগান্তির অন্ত ছিল না। বাংলাবাজার ঘাট থেকে ইজি বাইক, সিএনজি, মোটরসাইকেলে বরিশাল পর্যন্ত ৫০০ থেকে ৬০০, গোপালগঞ্জ পর্যন্ত ৫০০, খুলনা পর্যন্ত ৭০০, মাদারীপুর পর্যন্ত ২০০, বাগেরহাট পর্যন্ত ৬৫০ টাকায় যাত্রীদের যেতে দেখা গেছে।

এদিকে গতকাল শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান ও ওসি মিরাজ হোসেনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বাংলাবাজার ঘাটের স্পিডবোট ও ট্রলারগুলোর ইঞ্জিনের পাখা খুলে নেন। কোনো অবস্থাতেই অবৈধ নৌযান চালানো যাবে না বলে জানান তাঁরা।

রো রো ফেরি এনায়েতপুরীর সেকেন্ড মাস্টার আমির হোসেন বলেন, ‘আজ শিমুলিয়া থেকেই এক ট্রিপে তিন হাজারের বেশি যাত্রী পার করেছি। ওই ট্রিপে কোনো গাড়ি ওঠাতে পারিনি। বাকি ট্রিপগুলোতেও যাত্রীর চাপ ছিল অনেক বেশি। ফলে যানবাহন কম ওঠানো গেছে।’

শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে বাংলাবাজার ঘাট থেকে কোনো লঞ্চ, স্পিডবোট, ট্রলার ছাড়তে পারবে না। এরই মধ্যে স্পিডবোট ও ট্রলারের পাখা খুলে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্পিডবোটে নির্ধারিত আসন তৈরি করে যাত্রী পারাপার করতে হবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category




© All rights reserved © 2020 faithnewsbd.com
Design & Developed by: ATOZ IT HOST
Tuhin